দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার স্বামী নাজমুল আলমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার বাবা। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজী সুমন মাহতাব এ তথ্য জানান।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের নভেম্বরে নাজমুলের সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা ফারজানাকে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ তার বাবার। এ নিয়ে আগে আদালতে মামলাও করেছিলেন তিনি। পরে সমঝোতার মাধ্যমে ফারজানা আবার স্বামীর সংসারে ফেরেন।
এজাহারে বলা হয়, গত ২৪ অক্টোবর দাম্পত্য বিষয় ও আগের মামলা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় নাজমুল ফারজানাকে আত্মহত্যা করতে বলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই রাতেই ফতুল্লার ভাড়া বাসা থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ফারজানার লেখা বলে দাবি করা একটি চিরকুট নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর ভাই আরিফুল ইসলামের দাবি, চিরকুটটি আড়াই মাসেরও বেশি আগের। মরদেহের পাশে সেটি পাওয়ার বিষয়ে পরিবারের সন্দেহ রয়েছে।
মামলা করতে গিয়ে পুলিশ অসহযোগিতা করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন আরিফুল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা গাজী সুমন মাহতাব। তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে হত্যার তথ্য পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই